০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাচোলে আষাঢ়ের শেষে স্বস্থির বৃষ্টি

Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / ২ Time View

 

মোঃ হেলাল উদ্দীন, নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

আষাঢ়ের অবিরাম বর্ষণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল সহ বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে প্রাণ ফিরে এসেছে। তীব্র দাবদাহ ও খরার পরে কাঙ্খিত বৃষ্টিতে কৃষকেরা আনন্দে কোদাল ও ট্রাক্টর নিয়ে মাঠে চাষাবাদে নেমে পড়েছেন।

নাচোল ও এর আশেপাশের এলাকায় আষাঢ় মাসের শুরু থেকেই কৃষকরা রোপা আমন ধান রোপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে মাটি শক্ত হয়েছিল, তবে আষাঢ়ের এই নতুন পানিতে মাটি নরম হয়েছে। এতে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে, তারা কোদাল দিয়ে জমির আইল পরিষ্কার করছেন এবং ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে মাঠ চাষের কাজ পুরোদমে শুরু করে দিয়েছেন।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ফলে আধুনিক ট্রাক্টর ও অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারে এখন চাষাবাদে সময় ও শ্রম দুটোই কমেছে। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, এ বৃষ্টির কারণে সেচের খরচ অনেকটাই কমে যাবে। ধান চাষের জন্য জমিতে কাদামাটি তৈরি করতে এই পানি দারুন সাহায্য করছে।

আষাঢ়ের বৃষ্টি শুধু ধানের অভাব নয়,পুরো গ্রামীন অর্থনীতিতে এক নতুন গতির সঞ্চার করেছে। প্রকৃতি তার রুদ্ররুপ ছেড়ে যেন কৃষকদের সহায় হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নাচোলে আষাঢ়ের শেষে স্বস্থির বৃষ্টি

Update Time : ০২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

 

মোঃ হেলাল উদ্দীন, নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

আষাঢ়ের অবিরাম বর্ষণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল সহ বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে প্রাণ ফিরে এসেছে। তীব্র দাবদাহ ও খরার পরে কাঙ্খিত বৃষ্টিতে কৃষকেরা আনন্দে কোদাল ও ট্রাক্টর নিয়ে মাঠে চাষাবাদে নেমে পড়েছেন।

নাচোল ও এর আশেপাশের এলাকায় আষাঢ় মাসের শুরু থেকেই কৃষকরা রোপা আমন ধান রোপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে মাটি শক্ত হয়েছিল, তবে আষাঢ়ের এই নতুন পানিতে মাটি নরম হয়েছে। এতে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে, তারা কোদাল দিয়ে জমির আইল পরিষ্কার করছেন এবং ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার দিয়ে মাঠ চাষের কাজ পুরোদমে শুরু করে দিয়েছেন।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ফলে আধুনিক ট্রাক্টর ও অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারে এখন চাষাবাদে সময় ও শ্রম দুটোই কমেছে। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, এ বৃষ্টির কারণে সেচের খরচ অনেকটাই কমে যাবে। ধান চাষের জন্য জমিতে কাদামাটি তৈরি করতে এই পানি দারুন সাহায্য করছে।

আষাঢ়ের বৃষ্টি শুধু ধানের অভাব নয়,পুরো গ্রামীন অর্থনীতিতে এক নতুন গতির সঞ্চার করেছে। প্রকৃতি তার রুদ্ররুপ ছেড়ে যেন কৃষকদের সহায় হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে।