০১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাট জেলা কৃষি কর্মকর্তার বেপরোয়া ঘুষ ও দুর্নীতির তথ্য ফাঁস।

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / ৭৪ Time View

 

মোঃ শরিফুল ইসলাম বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।

বাগেরহাট জেলা কৃষি কর্মকর্তা শংকর কুমার মজুমদারের বেপরোয়া ঘুষ লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে শংকর কুমার মজুমদার বাগেরহাট জেলার কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ইং ৩/৯/২০২৩ তারিখ, যোগদানের পর থেকে তিনি বিভিন্ন কায়দায় ঘুষ সিন্ডিকেট তৈরি করেন ,তিনি যোগদানের ২ মাস পর থেকেই শুরু হয় ঘুষ লেনদেনের প্রক্রিয়া যাহার মধ্যে রয়েছে বাগেরহাটের ৭৯টি সার ডিলারের কাছ থেকে মাসিক ২০০০ টাকা করে অবৈধ লেনদেন এ সমস্ত অবৈধ লেনদেনের মূল হোতাই হলেন এই কৃষি কর্মকর্তা নিজেই প্রতিমাসে যদি ৭৯ টি ইউনিয়ন থেকে ২০০০ টাকা করে অবৈধ ইনকাম করেন তিনি তাহলে প্রতি মাসে তার আয় দাঁড়ায় এক লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা একই হিসেবে এই কর্মকর্তার প্রতি বছরে আয় এক কোটি ৮ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা এভাবেই দিনের পর দিন বাগেরহাট জেলায় রয়েছেন তিনি এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই কর্মকর্তার ক্ষমতার দাপটে কেঁপেছেন বিভিন্ন সার ডিলাররা। কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে কৃষকের পাশে থেকে কৃষককে সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে তার ব্যতিক্রম এ ধরনের কৃষি কর্মকর্তাদের কারণেই আজ এ দেশের অনেক কৃষকই অসহায় হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। এ ধরনের দুর্নীতিবাজ অফিসারদের ক্ষমতার উৎস কোথায় তা জানতে চায় সাধারণ কৃষকরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বাগেরহাট জেলা কৃষি কর্মকর্তার বেপরোয়া ঘুষ ও দুর্নীতির তথ্য ফাঁস।

Update Time : ০৮:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

মোঃ শরিফুল ইসলাম বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।

বাগেরহাট জেলা কৃষি কর্মকর্তা শংকর কুমার মজুমদারের বেপরোয়া ঘুষ লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে শংকর কুমার মজুমদার বাগেরহাট জেলার কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ইং ৩/৯/২০২৩ তারিখ, যোগদানের পর থেকে তিনি বিভিন্ন কায়দায় ঘুষ সিন্ডিকেট তৈরি করেন ,তিনি যোগদানের ২ মাস পর থেকেই শুরু হয় ঘুষ লেনদেনের প্রক্রিয়া যাহার মধ্যে রয়েছে বাগেরহাটের ৭৯টি সার ডিলারের কাছ থেকে মাসিক ২০০০ টাকা করে অবৈধ লেনদেন এ সমস্ত অবৈধ লেনদেনের মূল হোতাই হলেন এই কৃষি কর্মকর্তা নিজেই প্রতিমাসে যদি ৭৯ টি ইউনিয়ন থেকে ২০০০ টাকা করে অবৈধ ইনকাম করেন তিনি তাহলে প্রতি মাসে তার আয় দাঁড়ায় এক লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা একই হিসেবে এই কর্মকর্তার প্রতি বছরে আয় এক কোটি ৮ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা এভাবেই দিনের পর দিন বাগেরহাট জেলায় রয়েছেন তিনি এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই কর্মকর্তার ক্ষমতার দাপটে কেঁপেছেন বিভিন্ন সার ডিলাররা। কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে কৃষকের পাশে থেকে কৃষককে সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও হয়েছে তার ব্যতিক্রম এ ধরনের কৃষি কর্মকর্তাদের কারণেই আজ এ দেশের অনেক কৃষকই অসহায় হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। এ ধরনের দুর্নীতিবাজ অফিসারদের ক্ষমতার উৎস কোথায় তা জানতে চায় সাধারণ কৃষকরা।