১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেড়ামারায় বাবা ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা 

Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • / ১০০ Time View

 

নয়ন আহম্মেদ: ভেড়ামারা উপজেলা প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দেশীয়  ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠি সোটা দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে বাবা ও তার নাবালিকা মেয়েকে। সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়ে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী  দাউদ ও তার মেয়ে সালমা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১ টায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়ার বাসিন্দা রুবেল ও মোছা: সুজাতার নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী চাঁদগ্রাম গোরস্থান সংলগ্ন দাউদের বাড়িতে আক্রমণ করে। এ সময় তারা দাউদকে বাইরে থেকে ডাকে। প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায়

তারা বাড়ির দরজা ভেঙে দাউদকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারতে থাকে। এতে তার বাম হাত ও পা ভেঙ্গে যায়। মাদ্রাসায় পড়ুয়া তার নাবালিকা মেয়ে সালমা ঠেকাতে আসলে  তাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তার স্ত্রী সাগরি এগিয়ে আসলে তাকেও বেধড়ক পেটায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় আসামিরা সাগরির গলায় থাকা সোনার চেইন ও সালমার কানে থাকা দুল ছিনিয়ে নেয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য দুই লক্ষ টাকার উপরে। এছাড়াও বাড়িতে থাকা নগদ টাকাও তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানায়, মোঃ মানিক আলী বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছে। সেখানে রুবেল, রাজু, সুজাতা, সুমন ও সুইটকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়।

দাউদের স্ত্রী সাগরি খাতুন বলেন, আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছি। বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর মতো সাধ্য আমাদের নেই। আমার মাদ্রাসায় হাফেজী পড়ুয়া ছোট্ট মেয়েটাকেও তারা ছাড়েনি। তাকে মাথায় জখম করা হয়েছে। তার প্রায় ১২ টি সেলাই লেগেছে। আমি এর বিচার চাই।

ভেড়ামারা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তারা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ভেড়ামারায় বাবা ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা 

Update Time : ১১:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

 

নয়ন আহম্মেদ: ভেড়ামারা উপজেলা প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দেশীয়  ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠি সোটা দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে বাবা ও তার নাবালিকা মেয়েকে। সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়ে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী  দাউদ ও তার মেয়ে সালমা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১ টায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়ার বাসিন্দা রুবেল ও মোছা: সুজাতার নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী চাঁদগ্রাম গোরস্থান সংলগ্ন দাউদের বাড়িতে আক্রমণ করে। এ সময় তারা দাউদকে বাইরে থেকে ডাকে। প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায়

তারা বাড়ির দরজা ভেঙে দাউদকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারতে থাকে। এতে তার বাম হাত ও পা ভেঙ্গে যায়। মাদ্রাসায় পড়ুয়া তার নাবালিকা মেয়ে সালমা ঠেকাতে আসলে  তাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তার স্ত্রী সাগরি এগিয়ে আসলে তাকেও বেধড়ক পেটায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় আসামিরা সাগরির গলায় থাকা সোনার চেইন ও সালমার কানে থাকা দুল ছিনিয়ে নেয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য দুই লক্ষ টাকার উপরে। এছাড়াও বাড়িতে থাকা নগদ টাকাও তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানায়, মোঃ মানিক আলী বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছে। সেখানে রুবেল, রাজু, সুজাতা, সুমন ও সুইটকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়।

দাউদের স্ত্রী সাগরি খাতুন বলেন, আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছি। বর্তমানে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর মতো সাধ্য আমাদের নেই। আমার মাদ্রাসায় হাফেজী পড়ুয়া ছোট্ট মেয়েটাকেও তারা ছাড়েনি। তাকে মাথায় জখম করা হয়েছে। তার প্রায় ১২ টি সেলাই লেগেছে। আমি এর বিচার চাই।

ভেড়ামারা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তারা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।