১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেড়ামারা ইটভাটা মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল স্মারকলিপি প্রদান

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / ৬১ Time View

 

মোঃ নয়ন আলী ভেড়ামারা প্রতিনিধি।

ভেড়ামারায় ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভাটা বন্ধ না করার জন্য মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বরাবর  স্মারকলিপি প্রদান করেন।

আজ ৪ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় কুষ্টিয়া ভেড়ামারা বাসষ্টান্ডে শ্রমিক ও ভাটা মালিকরা জড়ো হতে থাকেন পরে মালিক শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল বের হন। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস মহাদয়ের বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন। এ সময় ইটভাটার শ্রমিক ও মালিকদের  দাবি।  ইটভাটা প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির ভেড়ামারা উপজেলা  সভাপতি  নাজিমুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কালাম মন্ডল   জানান,  ভেড়ামারা উপজেলার ইট প্রস্তুত মালিক ও শ্রমিকবৃন্দ। চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে আমরা ইট প্রস্তুত করার জন্য শ্রমিকদের অগ্রিম টাকাসহ ট্রেড লাইসের, বাণিজ্যিক কর, আয়কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে ইটভাটার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ভেড়ামারা উপজেলায় ৪৫টি ইটভাটায় প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। তাদের আয়ে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। আমরা অতীব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশীয় শিল্প ধ্বংস করার যড়যন্ত্রে লিপ্তে থাকা ২০১৩ ও ২০১৯ সালের কালো আইন করে এই শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছিল। এমতাবস্থায় ইটভাটা বন্ধ হলে ইটভাটা মালিকগণ ব্যাংকের ঋণসহ অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে অন্যদিকে শ্রমিকগণ পবিত্র মাহে রমজান মাসে অভাব অনটনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করবে। ২০১৩ সালে কালো আইন অনুযায়ী ইটভাটা বন্ধ করা হলে দেশে সরকারি, বেসরকারি সকল উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে দেশের অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এছাড়াও দেশে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অপরাধ বেড়ে যাবে। তিনি আরো জানান আমরা ২ মাসের সময় চেয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসন যদি কোন ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে ক্ষতি করে তাহলে আমরা ইটভাটা মালিকরা শ্রমিকদের সঙ্গে করে   আন্দোলন ঘোষণা দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার  রফিকুল ইসলাম জানান আমাদের সরকারের প্রত্যেকটি আদেশ মেনে চলতে হবে সরকার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাইরে আমরা যেতে পারবো না। আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছেন  এই বিষয়ে আমি আমার  কর্তৃপক্ষকে জানাবো সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত জানাবে  আমি আপনাদের  ইটভাটা মালিকদের জানাবো।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ভেড়ামারা ইটভাটা মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল স্মারকলিপি প্রদান

Update Time : ০৬:৫৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

 

মোঃ নয়ন আলী ভেড়ামারা প্রতিনিধি।

ভেড়ামারায় ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভাটা বন্ধ না করার জন্য মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বরাবর  স্মারকলিপি প্রদান করেন।

আজ ৪ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় কুষ্টিয়া ভেড়ামারা বাসষ্টান্ডে শ্রমিক ও ভাটা মালিকরা জড়ো হতে থাকেন পরে মালিক শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল বের হন। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস মহাদয়ের বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন। এ সময় ইটভাটার শ্রমিক ও মালিকদের  দাবি।  ইটভাটা প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির ভেড়ামারা উপজেলা  সভাপতি  নাজিমুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কালাম মন্ডল   জানান,  ভেড়ামারা উপজেলার ইট প্রস্তুত মালিক ও শ্রমিকবৃন্দ। চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে আমরা ইট প্রস্তুত করার জন্য শ্রমিকদের অগ্রিম টাকাসহ ট্রেড লাইসের, বাণিজ্যিক কর, আয়কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে ইটভাটার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ভেড়ামারা উপজেলায় ৪৫টি ইটভাটায় প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। তাদের আয়ে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। আমরা অতীব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশীয় শিল্প ধ্বংস করার যড়যন্ত্রে লিপ্তে থাকা ২০১৩ ও ২০১৯ সালের কালো আইন করে এই শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছিল। এমতাবস্থায় ইটভাটা বন্ধ হলে ইটভাটা মালিকগণ ব্যাংকের ঋণসহ অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে অন্যদিকে শ্রমিকগণ পবিত্র মাহে রমজান মাসে অভাব অনটনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করবে। ২০১৩ সালে কালো আইন অনুযায়ী ইটভাটা বন্ধ করা হলে দেশে সরকারি, বেসরকারি সকল উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে দেশের অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এছাড়াও দেশে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অপরাধ বেড়ে যাবে। তিনি আরো জানান আমরা ২ মাসের সময় চেয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসন যদি কোন ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে ক্ষতি করে তাহলে আমরা ইটভাটা মালিকরা শ্রমিকদের সঙ্গে করে   আন্দোলন ঘোষণা দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার  রফিকুল ইসলাম জানান আমাদের সরকারের প্রত্যেকটি আদেশ মেনে চলতে হবে সরকার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাইরে আমরা যেতে পারবো না। আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছেন  এই বিষয়ে আমি আমার  কর্তৃপক্ষকে জানাবো সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত জানাবে  আমি আপনাদের  ইটভাটা মালিকদের জানাবো।