০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁর রাণীনগর কালী গ্রামে জমি চাষের সময় ১৪ কেজি কষ্টি পাথরের বিষ্ণ মূর্তি উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ১২১ Time View

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার , নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

 

নওগাঁর রাণীনগরে জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষের সময় মাটির নিচ থেকে ওঠে এলো কষ্টি পাথরের বিষ্ণ মূর্তি। উপজেলার কালীগ্রাম মুন্সিপুর পশ্চিম মাঠে গঙ্গার মারা ভিটা নামকস্থানে এই মূর্তি পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধা ৬টা নাগাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) থানাপুলিশকে সাথে নিয়ে মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান জানান,কালীগ্রাম ডাকাহার পাড়া গ্রামের জীবন কুমার সরকারের জমিতে একজন শ্রমীক পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষ করছিলেন। এসময় মাটির নিচ থেকে প্রায় সাড়ে ২১ইঞ্চি দৈর্ঘ,সাড়ে ৯ইঞ্চি প্রস্ত এবং প্রায় ১৪কেজি ওজনের একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি ওঠে আসে।

পরে বিষয়টি থানাপুলিশকে জানালে থানাপুলিশের সহায়তায় সন্ধা নাগাদ মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। এটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেলা প্রসাশকের মাধ্যমে প্রতœতথ্য অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নওগাঁর রাণীনগর কালী গ্রামে জমি চাষের সময় ১৪ কেজি কষ্টি পাথরের বিষ্ণ মূর্তি উদ্ধার

Update Time : ১০:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার , নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

 

নওগাঁর রাণীনগরে জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষের সময় মাটির নিচ থেকে ওঠে এলো কষ্টি পাথরের বিষ্ণ মূর্তি। উপজেলার কালীগ্রাম মুন্সিপুর পশ্চিম মাঠে গঙ্গার মারা ভিটা নামকস্থানে এই মূর্তি পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধা ৬টা নাগাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) থানাপুলিশকে সাথে নিয়ে মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান জানান,কালীগ্রাম ডাকাহার পাড়া গ্রামের জীবন কুমার সরকারের জমিতে একজন শ্রমীক পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষ করছিলেন। এসময় মাটির নিচ থেকে প্রায় সাড়ে ২১ইঞ্চি দৈর্ঘ,সাড়ে ৯ইঞ্চি প্রস্ত এবং প্রায় ১৪কেজি ওজনের একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি ওঠে আসে।

পরে বিষয়টি থানাপুলিশকে জানালে থানাপুলিশের সহায়তায় সন্ধা নাগাদ মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। এটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেলা প্রসাশকের মাধ্যমে প্রতœতথ্য অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হবে।