সন্তোষপুর বনাঞ্চলে গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠের আড়ৎগুলোর বৈধতা যাচাইয়ের দাবি
- Update Time : ১১:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / ৭ Time View

মোঃ মোখলেছুর রহমান ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের আশপাশে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বনাঞ্চলসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত কাঠের আড়ৎগুলোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বনসম্পদ রক্ষা, গাছ কাটা বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্তোষপুর ফরেস্ট অফিসের আশপাশসহ বনাঞ্চলসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় গাছ কেটে কাঠ সংগ্রহ ও বিক্রি করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, কিছু ব্যক্তি রাতের আঁধারে গাছ কেটে কাঠের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সন্তোষপুর বনাঞ্চলের আশপাশে এবং সীমান্তঘেঁষা মধুপুরের মহিষমারা চৌরাস্তা বাজার, রাঙামাটিয়ার সবুজ মার্কেট, গারোবাজার ও বালুঘাট বাজার এলাকায় কয়েকটি কাঠের আড়ৎ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও ব্যবসায়িক কাগজপত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সচেতন মহলের আশঙ্কা, বনাঞ্চল থেকে নির্বিচারে গাছ কাটা হলে পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য ও বন্য প্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই বনাঞ্চল থেকে সংগৃহীত কাঠের উৎস শনাক্ত করা এবং কাঠের আড়ৎগুলোর বৈধতা যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা।
এ পরিস্থিতিতে বন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা। তাঁদের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট কাঠের আড়ৎগুলোর লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সরেজমিন তদন্ত করবে এবং সন্তোষপুর বনাঞ্চল রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে বনসম্পদ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হবে।
প্রশাসন ও বন বিভাগের বক্তব্য: এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কাঠের আড়ৎগুলোর মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়া কাউকে দায়ী করা হচ্ছে না। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।

























