০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / ১৫৭ Time View

 

মাহাবুর রহমান, কেশবপুর (যশোর)

কেশবপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গত শনিবার (৩১ মে) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিবাদ্য “তামাক কোম্পানির কূটকৌশল উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি”।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শরীফ নেওয়াজ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আব্দুর রউফ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: সৌমেন বিশ্বাস, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনজু মনোয়ারা, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল হাই সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।

বক্তারা বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার মানব শরীরে যেমন ক্ষতি করে, তেমনি সামাজিক পরিবেশও নষ্ট করে। ধুমপান মানব শরীরের মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে শিরা সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়। যার ফলে ক্যান্সার, হার্ট এট্যাকের মতো মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয়। প্রতিবছর দেশে তামাক জনিত রোগের ফলে প্রায় দুই লাখ মানুষ মারা যায়। সুষ্ঠুভাবে জীবন যাপন করতে হলে ধুমপান ও তামাকজাতদ্রব্য পরিহার করার বিকল্প নেই।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সভা-সেমিনারের আয়োজন করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনতে হবে। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন দোকানগুলোতে বিড়ি, সিগারেট বা কোন প্রকার তামাকজাতদ্রব্য বিক্রি করতে না পারে সেজন্য শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু তাই নয়! পরিবার থেকেও ছেলে-মেয়েদেরকে সচেতন করতে হবে। জনবহুল স্থানে ধূমপান বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষে উপজেলা প্রশাসনের নিকট আহবান জানান বক্তারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান, শেখ তৌহিদুল ইসলাম, নির্মল কুমার রায়, কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ বুলবুলসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কেশবপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত

Update Time : ০১:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

মাহাবুর রহমান, কেশবপুর (যশোর)

কেশবপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গত শনিবার (৩১ মে) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিবাদ্য “তামাক কোম্পানির কূটকৌশল উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি”।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শরীফ নেওয়াজ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আব্দুর রউফ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: সৌমেন বিশ্বাস, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনজু মনোয়ারা, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল হাই সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।

বক্তারা বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার মানব শরীরে যেমন ক্ষতি করে, তেমনি সামাজিক পরিবেশও নষ্ট করে। ধুমপান মানব শরীরের মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে শিরা সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়। যার ফলে ক্যান্সার, হার্ট এট্যাকের মতো মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয়। প্রতিবছর দেশে তামাক জনিত রোগের ফলে প্রায় দুই লাখ মানুষ মারা যায়। সুষ্ঠুভাবে জীবন যাপন করতে হলে ধুমপান ও তামাকজাতদ্রব্য পরিহার করার বিকল্প নেই।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সভা-সেমিনারের আয়োজন করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনতে হবে। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন দোকানগুলোতে বিড়ি, সিগারেট বা কোন প্রকার তামাকজাতদ্রব্য বিক্রি করতে না পারে সেজন্য শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু তাই নয়! পরিবার থেকেও ছেলে-মেয়েদেরকে সচেতন করতে হবে। জনবহুল স্থানে ধূমপান বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষে উপজেলা প্রশাসনের নিকট আহবান জানান বক্তারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান, শেখ তৌহিদুল ইসলাম, নির্মল কুমার রায়, কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ বুলবুলসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।