বেনাপোল কাস্টমস্ কর্মকর্তা মাহাবুব অপসাংবাদিকতার স্বীকার
- Update Time : ০৫:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
- / ১০১ Time View

স্টাফ রিপোর্টার ::
যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউসের চেকপোস্ট ইমিগ্রেশানে দায়িত্বরত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান অপসাংবাদিকতার স্বীকার। গত মঙ্গলবার( ৮ এপ্রিল) ওয়ান নিউজ বিডি ও নতুন আলো অনলাইন পোর্টালে “বেনাপোল কাস্টমসের মাতাল কর্মকর্তা এ আরও মাহবুবের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট যাত্রীদের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে ওয়ান নিউজ বিডি নিউজ পোর্টাল হতে প্রকাশিত সংবাটি সরিয়ে নিলে প্রতিবেদনটি ঘীরে জনমনে রহস্যের দানা বাধে। বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহাবুরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন আমার নামে প্রকাশিত সংবাদ সর্ম্পূন মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রকৃত সত্য হচ্ছে স্থানীয় কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীর সাথে আনা অতিরিক্ত পণ্য ছাড়ে অনৈতিক সুবিধা চাই। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাতে সন্মত না হওয়ায় এবং আমি নিয়ম মাফিক সঠিক দায়িত্ব পালন করায় তাদের রোষানালে পড়ে অপসাংবাদিকতার স্বীকার হয়েছি। এ সময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহŸান জানান। প্রকাশিত সংবাদটির সত্যতা যাচায়ে এলাকায় ব্যাপক খোঁজ খবর নিলে প্রতিবেদনটিতে প্রকাশিত তথ্য ও স্থির চিত্রের কোন সত্যতা পাওয়া যাইনী। প্রতিবেদনে থাকা সিসি টিভি ফুটেজ গুলোর স্থির চিত্র অনেক পুরাতন ও যাত্রীদের অতিরিক্ত পণ্য আটককালীন সময়ে ধারনকৃত বলেই ইমিগ্রেশন সূত্র নিশ্চিত করেন। স্থানীয়রা জানান,বেনাপোল ইমিগ্রেশানে আগত অসাধু ল্যাগেস ব্যবসায়ীদের এক আতঙ্কের নাম এ আরও মাহবুবুর রহমান। ভারত থেকে পাসপোর্ট যাত্রীর সাথে ল্যাগেজ সুবিধায় আনা অতিরিক্ত পণ্যের উপর আইন অনুযায়ী শুল্ক আরোপ ও বিধি মোতাবেক অতিরিক্ত পণ্য ডি এম করার কারনে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাহার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে স্টেশন থেকে অপসারণ করতে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন। বেনাপোল ইমিগ্রেশান সূত্রে জানা যায়,২০২৩-২৪ অর্থ বছরের চেয়ে ২৪/২৫অর্থ বছরে ( জুলাই-মার্চ) বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশানটিতে আদায়কৃত করের পরিমান ও পণ্য আটক সংখ্যা ৪৮.৬২% শতাংশ বেশী। এ সময়কালীন শিফটের শিডিউল মোতাবেক স্টেশনটিতে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন কর্মকর্তা মাহাবুর। প্রকাশিত সংবাদ বিষয়ে বেনাপোল ইমিগ্রেশানের দায়িত্বরত রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল গনি মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান,প্রতিবেদনটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। ঐ প্রতিবেদক আমার কাছ হতে কোন বক্তব্য নেইনী বা আমি এ ধরনের বিবৃতি কাউকে দেইনী। পাসপোর্ট যাত্রীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ প্রশ্নে? তিনি বলেন কোন যাত্রী এমন ধরনের অভিযোগ আমার কাছে দেইনী। আমার ধারনা পুরোটাই উদ্দেশ্য প্রনোদীত। উল্লেখ্য বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশান দিয়ে ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীর সাথে ল্যাগেস সুবিধায় আনা অতিরিক্তি পণ্যের শুল্ক ফাঁকি দিতে গড়ে ওঠেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। চক্রটি তাদের ব্যবসায়িক সুবিধা পেতে স্টেশনটিতে বিভিন্ন সময়ে তাদের মন পছন্দ প্রশাসনিক কর্মকর্তার নিয়োগ ও বদলী করিয়ে থাকেন।


























