০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলা থানা পুলিশের বিচক্ষণ তদন্ত: দুই মাস পর চাঞ্চল্যকর আসমা হত্যার রহস্য উন্মোচন

Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৮ Time View

 

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:

মোংলা থানা পুলিশের প্রশংসনীয় ও বিচক্ষণ তদন্তের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই মাস পর উন্মোচিত হলো চা-দোকানি আসমা বেগম (৩৯) হত্যাকাণ্ডের রহস্য। একটি নাকফুল এবং একই থান কাপড় থেকে তৈরি দুই প্যান্টের অনন্য নকশার সুত্র ধরে চাঞ্চল্যকর এই ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের জট খুলতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

গত ১৪ আগস্ট মোংলা ফেরিঘাট এলাকা থেকে নিখোঁজ হন মোংলা বেড়িবাঁধ এলাকার চা-দোকানি আসমা বেগম। পরিবারের জিডির প্রেক্ষিতে তদন্ত চলাকালে ২০ আগস্ট বটিয়াঘাটার কাজিবাছা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ দেখে সন্দেহ করে মোংলা থানা পুলিশ। উদ্ধার হওয়া প্যান্টের নকশার সাথে আসমার বাসায় থাকা অন্য প্যান্টের মিল এবং নাকে থাকা নাকফুল দেখে পরিবার মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করে।

পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই আসামি—ইকরামুল শেখ (৪০) ও মো. মীর আলী (৪৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের নিকট থেকে নিহত আসমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামি ইকরামুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মোংলা থানা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম স্যার এবং পুরো মোংলা থানা পুলিশ প্রশাসনকে। নিখোঁজ হওয়া থেকে শুরু করে অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণ এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে আপনাদের যে প্রজ্ঞা, মেধা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনাদের এমন তৎপরতা সাধারণ মানুষের মাঝে আইনি সুরক্ষার আস্থা বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়।

আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মোংলা থানা পুলিশের বিচক্ষণ তদন্ত: দুই মাস পর চাঞ্চল্যকর আসমা হত্যার রহস্য উন্মোচন

Update Time : ০১:২৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

 

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:

মোংলা থানা পুলিশের প্রশংসনীয় ও বিচক্ষণ তদন্তের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই মাস পর উন্মোচিত হলো চা-দোকানি আসমা বেগম (৩৯) হত্যাকাণ্ডের রহস্য। একটি নাকফুল এবং একই থান কাপড় থেকে তৈরি দুই প্যান্টের অনন্য নকশার সুত্র ধরে চাঞ্চল্যকর এই ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের জট খুলতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

গত ১৪ আগস্ট মোংলা ফেরিঘাট এলাকা থেকে নিখোঁজ হন মোংলা বেড়িবাঁধ এলাকার চা-দোকানি আসমা বেগম। পরিবারের জিডির প্রেক্ষিতে তদন্ত চলাকালে ২০ আগস্ট বটিয়াঘাটার কাজিবাছা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ দেখে সন্দেহ করে মোংলা থানা পুলিশ। উদ্ধার হওয়া প্যান্টের নকশার সাথে আসমার বাসায় থাকা অন্য প্যান্টের মিল এবং নাকে থাকা নাকফুল দেখে পরিবার মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করে।

পরবর্তীতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই আসামি—ইকরামুল শেখ (৪০) ও মো. মীর আলী (৪৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের নিকট থেকে নিহত আসমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামি ইকরামুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মোংলা থানা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম স্যার এবং পুরো মোংলা থানা পুলিশ প্রশাসনকে। নিখোঁজ হওয়া থেকে শুরু করে অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণ এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে আপনাদের যে প্রজ্ঞা, মেধা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনাদের এমন তৎপরতা সাধারণ মানুষের মাঝে আইনি সুরক্ষার আস্থা বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়।

আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।